বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
‎লালমনিরহাটে Bangla QR প্রচলনে ডিজিটাল পেমেন্ট সম্প্রসারণ ক্যাম্পেইন দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি লালমনিরহাটে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সামাজিক সচেতনতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত এককালীন ২০ লাখ, মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু লালমনিরহাটের মহিষখোচাঁয়  ৫৯১ মুস্তাহিক পরিবারের মাঝে, যাকাত তহবিল হস্তান্তর পরিকল্পিত সন্ত্রাসে দেশ অস্থিতিশীলের ষড়যন্ত্র, সুন্দরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই ‎গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
পাথর মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

পাথর মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে এক ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে আঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এসময় তারা ‘আমার সোনার বাংলায় খুনিদের ঠাঁই নাই, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘এক দুই তিন চার, চাঁদাবাজ দেশ ছাড়’, ‘চাঁদাবাজের ঠিকানা, এই বাংলা হবে না’, ‘জনে জনে মানুষ মরে, ইন্টেরিম কী করে’, ‘লীগ গেছে যেই পথে, দল যাবে সেই পথে’- সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, জুলাইয়ের পর থেকে আমরা দুইটি সংস্কার সবচেয়ে বেশি চেয়েছি। একটি‌ মিডিয়া সংস্কার, অন্যটি প্রশাসনের সংস্কার। ৪৮ ঘণ্টা পর এই ঘটনা কেন আমাদের সামনে এল? চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে যারা একজন ব্যবসায়ীকে হত্যা করে, ক্ষমতায় আসার পরে তাদের তাঁদের পথের কাঁটা আজকের জুলাই যোদ্ধারাই হবে।

তিনি আরো বলেন, যারা দল-মত-নির্বিশেষে সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন, সেই জুলাই যোদ্ধারাও তাদের হামলা থেকে নিস্তার পাবে না। ইন্টেরিম সরকারের কাছে বিচার চাইতে চাইতে আমরা নাজেহাল হয়ে গেছি। একটা দলের হাইকমান্ড থেকে এই ব্যাপারটা নিয়ে উলটো ন্যারেটিভ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী সজীব বলেন, আপনারা সবাই অবগত আছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এক বছরে কী পরিমাণ নৃশংসতার সাক্ষী এ দেশের মানুষ হয়েছে। আজকে যে হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা এখানে সমবেত হয়েছি–আমি সেই হত্যাকারী যুবদলের নাম স্পষ্ট করে বলতে চাই। এ বাংলাদেশে আপনাকে দলের নাম ধরে সমালোচনা করা শিখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি সমালোচনা না করেন তবে প্রত্যেকে আবার হাসিনা হয়ে উঠবে, আওয়ামী লীগ হয়ে উঠবে। তাই এই বাংলাদেশে জুলাই যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন এ দেশে আবার কোনো আওয়ামী লীগ হয়ে উঠতে দেবো না। সেটা বিএনপি হোক, জামায়াত হোক বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল হোক। কোনোভাবেই এ দেশে আর কোনো সন্ত্রাসবাদ কায়েম হতে দেবো না।

এসময় সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে আমরা যখনই আওয়াজ তুলতাম, তখনি আমাদের ট্যাগিং করা হতো। আমরা ব্যর্থ হয়েছিলাম ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে। আমরা আমাদের বয়স চালু রাখতে চাই। দেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কায়েম তৈরি হতে দেবো না। জুলাই বিপ্লবের পর দেশে আর কোনো চাঁদাবাজি মেনে নেওয়া যায় না। তারেক রহমান বিদেশে বসে কি খেলা দেখছেন? তার দল জুলাইয়ের পর দেশে খুনের সেঞ্চুরি করে ফেলছে। এই দায় তার নিতে হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com